পাঁচফোড়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পাঁচফোড়ন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০

৪৪ ডিম দিয়েছে কুমির পিলপিল

৪৪ ডিম দিয়েছে কুমির পিলপিল

সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে লবণ পানি প্রজাতির কুমির ‘পিলপিল’ ৪৪টি ডিম দিয়েছে। শুক্রবার বিকালে কেন্দ্রের কুমির প্রকল্পের পুকুর পাড়ে এ ডিম দেয় কুমির ‘পিলপিল’। এর আগে গত ২৯ মে অপর কুমির জুলিয়েট ৫২টি ডিম পাড়ে। 


২৮ বছর বয়সী কুমির ‘পিলপিল’ এ পর্যন্ত ১০ বার ডিম দিলেও গত তিন বছর থেকে মা হতে পারেনি। তাই এবার ডিম দেওয়ার পর সে যেন মা হতে পারে এ জন্য ভিন্ন পস্থা অবলম্বন করেছেন সংশ্লিষ্টরা। মা হওয়ার জন্য এবার তার পাড়া ডিম দিয়ে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম দু’পদ্ধতিই ব্যবহার করা হচ্ছে। শুক্রবার তার দেয়া এবারের ৪৪টি ডিমের মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবেই বাচ্চা ফুটানোর জন্য তার বাসাতে রাখা হয়েছে ২২টি ডিম। আর বাকি ২২টি ডিম কৃত্রিম পদ্ধতিতে ফুটানোর জন্য রাখা হয়েছে দুইটি ইনকিউভেটরে। 

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজলে বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের পুকুর পাড়ে শুক্রবার দুপুর থেকে মা কুমির ‘পিলপিল’ তার বাসায় একে একে ৪৪টি ডিম পাড়ে। এরপর ডিমগুলোর কিছু পুকুর পাড়ে কুমিরের তৈরি বাসায় ও বাকিগুলো সরিয়ে কেন্দ্রের ইনকিউভেটরে রাখা হয়। সব ঠিক থাকলে প্রায় ৮৫ থেকে ৯০ দিন পর ডিম হতে বাচ্চা ফুটে বের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সুন্দরবন বিভাগ।

করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত ফরেষ্টার মো. আজাদ কবির জানান, কুমির লালন পালন কেন্দ্রের বিলুপ্ত প্রায় লোনা পানি প্রজাতির মা কুমির ‘পিলপিল’ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে পুকুর পাড়ে তৈরিকৃত তার নিজ বাসায় ডিম দিতে শুরু করে। ঘন্টা খানেক সময়ের মধ্যে একে একে ৪৪টি ডিম দেয় সে। গত তিন বছর পিলপিলের ডিম থেকে কোন বাচ্চা না ফুটায় এবার ভিন্ন পস্থা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ভাবেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর জন্য এবার কুমিরের বাসায় ২২টি ডিম রাখা হয়েছে। আর বাকি ২২টি ডিম কৃত্রিম পদ্ধতিতে ফুটানোর জন্য রাখা হয়েছে পুরাতন ও নতুন দুইটি ইনকিউভেটরে। 


আজাদ কবির বলেন, আশা করছি এখন ৮৫ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম পদ্ধতিতে ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হবে। যেহেতু বিগত দুই বছর পিলপিলের ডিম থেকে একটিও বাচ্চা ফুটেনি এ কারণে এবার প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম দু’পদ্ধতিই ব্যবহার করা হচ্ছে। এ নিয়ে পিলপিল ১০ বার ডিম দিল করমজল কুমির প্রজনন কেন্দ্রে। তবে মা কুমির পিলপিল গত বছর ৪৪টি ও তার আগের বছর ৪৬টি ডিম দেয়। কিন্তু এ সবের একটি ডিম থেকেও গত তিন বছরে কোনো বাচ্চা ফুটেনি। সবগুলো ডিম নষ্ট হয়ে যায়। তবে এবার সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে করমজলের কুমির জুলিয়েট ও পিলপিলের পরিবারে নতুন অতিথি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২৯ মে অপর মা কুমির ‘জুলিয়েট’ ৫২ ডিম পেড়েছে। তা থেকেও বাচ্চা ফুটানোর ব্যবস্তা নেয়া হয়েছে। প্রতি বছর প্রজনন মৌশুম মে ও জুন মাসে কুমির দুইটি ডিম পাড়ে। গত বছর মা কুমির জুলিয়েট ও পিলপিল ডিম দিলেও তা থেকে কোনো বাচ্চা ফুটানো সম্ভব হয়নি বলে জানায় এ কর্মকর্তা।

করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের সূত্র জানায়, এক সময় বাংলাদেশে লবণ পানির কুমির, মিঠা পানির কুমির ও ঘড়িয়াল এই তিন প্রজাতির কুমিরের অস্তিত্ব ছিল। এর মধ্যে মিঠা পানির কুমির ও ঘড়িয়াল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। শুধু লবণ পানির কুমিরই কোনো ভাবে টিকে আছে। দেশের বিলুপ্ত প্রায় এ প্রজাতির নোনা পানির কুমিরের প্রজনন, বৃদ্ধি ও তা সংরক্ষণের জন্য সরকারিভাবে ২০০২ সালে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজলে বন বিভাগের উদ্যোগে সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয় দেশের একমাত্র বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রটি। বন বিভাগের বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন প্রকল্পের আওতায় ৩২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৮ একর জমির ওপর গড়ে তোলা হয় কেন্দ্রটি। শুরুতেই জেলেদের জালে ধরা পড়া ছোটবড় পাঁচটি কুমির দিয়ে কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে কেন্দ্রটিতে নোনা পানি প্রজাতির ছোট বড় মিলিয়ে মোট ১৯৫টি কুমির রয়েছে। এদের মধ্যে ছয়টি কুমির বড়। যার মধ্যে স্ত্রী কুমির ‘জুলিয়েট’ ও ‘পিলপিল’ রয়েছে। বাকি ৪টি পুরুষ প্রজাতির। এদের বয়স ২৫ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে জন্ম নেয়া কুমিরগুলোর মধ্যে এ পর্যন্ত ৭/৮ বছর বয়সী ৯৭টি ছোট কুমির সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী-খালে অবমুক্ত করা হয়েছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে ছাড়া বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, পটুয়াখালী বন বিভাগের কাছেও কিছু কুমির অবমুক্ত করা হয়েছে। নোনা পানির কুমির সাধারণত ৬০-৬৫ বছর পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। আর বেঁচে থাকে ৮০-১০০ বছর পর্যন্ত।

সোমবার, ১ জুন, ২০২০

বাংলাদেশে এসে ১০ হাজার কলা কিনলেন এক কানাডিয়ান (ভিডিও)

বাংলাদেশে এসে ১০ হাজার কলা কিনলেন এক কানাডিয়ান (ভিডিও)

কানাডিয়ার ট্রাভেল ব্লগার মাইক কোরি

শিরোনাম পড়ে হয়তো অবাক হয়েছেন। কানাডিয়ার ট্রাভেল ব্লগার মাইক কোরি বাংলাদেশে এসে ১০ হাজার কলা কিনেছেন এক দিনেই।

‘বায়িং ১০,০০০ ব্যানানা ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন মাইক কোরি। ভিডিওতে দেখা যায়, কলার কেনার উদ্দেশ্যে ভোরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে যান তিনি। সেখানকার পাইকারি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সামির হোসেন, জাকির হোসেন, মো. কামাল ‍উদ্দীন ও জুয়েল রানার কাছ থেকে কলাগুলো সংগ্রহ করেছেন।
এসব কলা কী করেছেন এ ব্লগার? একটি ছোট কাভার্ড ভ্যান ভাড়া করে কলাগুলো পৌঁছে দিয়েছেন বনানীর কড়াইলে অবস্থিত জাগো ফাউন্ডেশন স্কুলে। শুধু কলা নয়, ডিম, রুটিসহ আরো কয়েক পদ নিয়ে যান মাইক কোরি।
কানাডিয়ান এ ফুড ব্লগার তার ভিডিওর ডেসক্রিপশনে লিখেছেন, আমরা এক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে ভ্রমণ করেছি। আজ আমরা ১০ হাজার কলা কিনেছি! যা দেশটির ক্ষুধার্ত বাচ্চাদেরকে দেয়া হয়েছে। এর আগে আমরা পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করেছি।
ভিডিওটি দেখুন-

বুধবার, ২৭ মে, ২০২০

এক বছর বয়সী রাঁধুনীর ১৩ লাখ ফলোয়ার! (ভিডিও)

এক বছর বয়সী রাঁধুনীর ১৩ লাখ ফলোয়ার! (ভিডিও)




এক বছর বয়সী বাচ্চা আবার রাঁধতে পারে নাকি। কিন্তু এমনই একটি অবাক করা খবর প্রকাশ করেছে সিএনএন। সংবাদমাধ্যমটি প্রকাশ করেছে, এক বছর বয়সী রাঁধুনী কোবে অনলাইনে রীতিমতো ঝড় তুলেছে।

ইনস্টাগ্রামে তার ‘কোবে ইটস’ অ্যাকাউন্টের ফলোয়ারের সংখ্যা ১৩ লাখেরও বেশি।

সোশ্যাল সাইটটিতে এই শিশুর পরিচয়ে বলা হয়, কোবে রান্না করতে, খেতে ও রান্নাঘরে নিত্যনতুন আবিষ্কার পছন্দ করে। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাক ও চিজ সহযোগে তার প্রিয় টার্কিশ ডিশ তৈরিতে সাহায্য করছে। মাঝে মাঝে খেয়েও নিচ্ছে খানিকটা। আর ধারাবর্ণনাও থেমে নেই।

কোবের মা অ্যাশলে ওয়ান সিএনএনকে জানান, কোবে বাসায় যে কাজগুলো করে তার একটি রান্না। বড়দের মতো কাজটিতে সে বেশ মজা পায়। রান্নাঘরে ছেলের সেই উচ্ছ্বাস বন্ধু ও পরিবারের অন্য সদস্যদের দেখাতে ভিডিও ধারণ শুরু করেন।

গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইনস্টাগ্রামে ‘কোবে ইটস’ অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়। ১৫ এপ্রিল নাগাদ ফলোয়ার ছিল ২০০। এরপর এক লাখ, দুই লাখ করে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। যা অ্যাশলে কল্পনাও করেননি।

তিনি জানান, এই সময়ে সারা বিশ্বের অনেক মানুষের মুখে ছেলে হাসি ফোটাচ্ছে এ কথা শোনে খুবই আনন্দিত কোবের বাবা কাইলি।

কোবের কুকিং শোতে তার পরিবারের জন্য অসাধারণ কিছু মুহূর্ত ধরা পড়েছে। একটি ভিডিওতে প্রথমবার তাকে ‘দাদা’ বলতে শোনা যায়।

কোবে ক্যামেরা ভালোবাসে, বিভিন্ন খাদ্য উপকরণ চেখে দেখতে পছন্দ করে। চিজের সঙ্গে যে কোনো কিছু সে পছন্দ করে বলে জানান অ্যাশলে।


এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম, ১ কেজি কিনতে ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গিলে!

এটাই বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম, ১ কেজি কিনতে ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গিলে!



ফলের রাজা আম। তাই তেমনই তার দাম! চলতি বছরে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান আম চাষে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। ঝড়ে গিয়েছে আম। তাতে চাষীদের মাথায় হাত। করোনা আর আম্ফানের জোড়া থাবায় মানুষের নাজুক অবস্থা। 
হরেকরকম আম মেলে ভারতবর্ষে। তবে বিশ্বের সব থেকে দামি আম কিন্তু ভারতবর্ষে পাওয়া যায় না। সেই আম এক কেজি কিনতে গিয়ে অনেক ধনী ব্যক্তিও ঢোঁক গিলেন। 
তাইও নো তামাগো। যার মানে Egg of the sun. এই প্রজাতির আম বিশ্বে সব থেকে দামি। এটির চাষ হয় জাপানের মায়াজাকি অঞ্চলে। বিক্রি হয় অবশ্য গোটা জাপানজুড়ে। প্রতি বছর প্রথম ফলন করা আম নিলামে তোলা হয়। আর সেই আম বিক্রি আকাশছোঁয়া দামে। তবে এই আমের ফলন আর পাঁচটা প্রজাতির আমের মতো হয় না। অর্ডারের উপর নির্ভর করে এই আমের ফলন। 
এই প্রজাতির আম অর্ধেক লাল, অর্ধেক হলুদ। জাপানে এই প্রজাতির আমের ফলন হয় গরম ও শীতের মাঝে। আর সেই জন্যই এই আমের দাম এমন চড়া হয়।
২০১৭ সালে এই প্রজাতির দুটি আমের নিলামে দাম উঠেছিল ৩৬০০ ডলার। অর্থাৎ প্রায় দুই লাখ ৭২ হাজার টাকা। সেবার প্রতিটি আমের ওজন ছিল ৩৫০ গ্রাম। অর্থাৎ মাত্র ৭০০ গ্রাম আমের দাম দুই লাখ ৭২ হাজার টাকা।
আপনি হয়তো ভাবছেন কী এমন আছে যে এই আমের এমন অস্বাভাবিক দাম! এই আমের চাষ করতে চাষীকে অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। প্রতিটি আম গাছে থাকাকালীনই ছোট জালে জড়িয়ে রাখা হয়। তার পর আমগুলিকে নির্দিষ্ট পজিশনে রাখা হয়। এতে করে সূর্যের আলো আমের একটি নির্দিষ্ট অংশে পড়ে। তা ছাড়া আমগুলিকে গাছ থেকে মাটিতে পড়তে দেওয়া হয় না। তারও ব্যবস্থা করা হয়। বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে আমের এক পাশে রুবি রেড রং ধরানো হয়। আর স্বাদের কথা বলাবাহুল্য। যেমন দাম তেমনই তার স্বাদ ও গন্ধ।