জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫

বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

 

বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণে ঢাকা সফরে আসছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসবেন তিনি।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। রয়টার্সের ফাইল ছবি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (১৪ মার্চ) শুরুতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকার ইস্যুবিষয়ক বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মহাসচিব।


এরপর কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন আন্তোনিও গুতেরেস। সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থী স্থানীয় বাংলাদেশিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। ওইদিন রাতেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন।
 
সফরের তৃতীয় দিন শনিবার (১৫ মার্চ) ঢাকায় থাকা সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসবেন জাতিসংঘের মহাসচিব। একইদিন তরুণ নারী ও পুরুষ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে। ওইদিন প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন গুতেরেস। রমজান মাস হওয়ায় মুসলিমদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে বাংলাদেশ সফরকালে জাতিসংঘের মহাসচিব একদিন রোজা থাকবেন। তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো বার্তা দেয়নি ঢাকাস্থ জাতিসংঘ অফিস।


জানা গেছে, গত ৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার রোহিঙ্গা ও অগ্রাধিকার ইস্যুবিষয়ক বিশেষ দূত ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ড. ইউনূসের পাঠানো আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন।

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪

বৃষ্টি বেড়ে গরম কমবে কবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

বৃষ্টি বেড়ে গরম কমবে কবে, জানাল আবহাওয়া অফিস

বৃষ্টি বেড়ে গরম কমবে কবে, জানাল আবহাওয়া অফিস



তীব্র গরমের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর দিলো আবহাওয়া অফিস। আগামী ৫ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বেড়ে গরম কিছুটা কমার পূর্বাভাস মিলেছে।





এতে বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ার অবস্থায় বলা হয়, সারা দেশে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

এদিকে সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
 

তাপপ্রবাহ: যশোর ও রাজশাহী জেলা সমূহের উপর দিয়ে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ এবং টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ, পাবনা ও নীলফামারী জেলাসহ খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও বান্দরবান জেলাসহ ঢাকা, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশ এবং বরিশাল বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

তাপমাত্রা: সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে। 

দ্বিতীয় দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়, সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।


তাপমাত্রা: সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।

তৃতীয় দিনের অবস্থায় বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে এবং সেই সাথে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।


তাপমাত্রা: সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তিভাব বিরাজমান থাকতে পারে।

শনিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

নিজেদের ইচ্ছেমতো জন্ম তারিখ বসানো যাবে না

নিজেদের ইচ্ছেমতো জন্ম তারিখ বসানো যাবে না

 জন্মসনদে উল্লেখ থাকা মূল জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে পাবলিক পরীক্ষা, জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা পাসপোর্ট অনুযায়ী জন্ম তারিখ পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ করা যাবে না। এখন থেকে নিজেদের ইচ্ছেমতো জন্ম তারিখ বসানো যাবে না।


জন্ম সনদ ফরম। ছবি: সংগৃহীত


সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) থেকে এমন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে রেজিস্ট্রার জেনারেল রাশেদুল হাসানের সই করা এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব জেলা প্রশাসক ও সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন ২০০৪ (সংশোধিত ২০১৩) অনুসরণে বাংলাদেশের নাগরিকদের দেশে বা বিদেশে অবস্থানরত জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন করা হয়। এ আইন এবং এ আইনের অধীন প্রণীত বিধিতে শিশুর জন্মের পরপর এবং ব্যক্তির মৃত্যুর পরপর মৃত্যুর খবর রেজিস্ট্রারকে দেয়া ও নিবন্ধন করানোর তাগিদ রয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়,  ‘শিশুর ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদে লিখিত তারিখ তার প্রথম এবং আদি জন্ম তারিখ এবং এ তারিখের ভিত্তিতেই তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি, পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি হয়ে থাকে। কিন্তু পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে যে, অনেক ক্ষেত্রেই পাবলিক পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন, জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি, পাসপোর্ট করার সময় জন্ম নিবন্ধন সনদে উল্লেখ করা তারিখের পরিবর্তে অন্য একটি জন্ম তারিখ বসিয়ে পাবলিক পরীক্ষায় রেজিস্ট্রেশন, পাবলিক পরীক্ষার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট তৈরি করা হয়।’


‘পাবলিক পরীক্ষার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের আদলে জন্মসনদ বিশেষ করে জন্ম তারিখ সংশোধন করে দেয়ার জন্য পীড়াপীড়ি করা হয়। নিবন্ধক অফিস এসব আবেদন গ্রহণ করে থাকে, আপলোড করে এবং অনুমোদনের জন্যও পাঠানো হয়। ইহা সমীচীন নয়,’ বলা হয় চিঠিতে।

নির্দেশনায় বলা হয়, ‘কোনো নিবন্ধক অফিসে জন্মসনদের মূল জন্ম তারিখ পরিবর্তন করে পাবলিক পরীক্ষা, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট তৈরি করে জন্ম তারিখ বা জন্ম সাল পরিবর্তনের আবেদন যেন গ্রহণ না করা হয়, আপলোড না করা হয় এবং অনুমোদনের জন্য যেন পাঠানো না হয়, সেই অনুরোধ করা হলো।’ এ ধরনের আবেদন মোটেও অনুমোদনযোগ্য নয়। বিষয়টি অধিক্ষেত্রের সব নিবন্ধন অফিসকে জানিয়ে দেয়ার জন্য চিঠিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাশেদুল হাসান বলেন, অনেকেই এনআইডি-পাসপোর্ট করার সময় বলে তার জন্ম নিবন্ধন হয়নি। পাবলিক পরিক্ষার সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রেও অনেক সময় মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে জন্মতারিখ বসায়। পরবর্তীতে আমাদের কাছে এসে বলে ছোট ভুল হয়েছে, সে অনুযায়ী ঠিক করে দেয়ার অনুরোধ করে। সংশোধনের ক্ষেত্রে নাম ভুল হতে পারে বা টাইপিং মিসটেক হতে পারে; সেগুলো করা যেতে পারে। কিন্তু জন্ম তারিখ নিয়ে মূলত আমাদের কনসার্ন।


তিনি বলেন, ‘অনেকের জন্মসাল ১৯৮৫ হলে এসে বলে ১৯৮৯ করে দেন। এগুলো কি সম্ভব? তাই জন্ম নিবন্ধন যদি আগে হয়ে থাকে, পরবর্তীগুলো যদি বিকৃত হয়ে থাকে, সেগুলো আমরা সংশোধন করব না। জন্মনিবন্ধন বিকৃত করে পরে আবার এসে আমাদের কাছে কারেকশন চাইবে, সেটি আমরা দেবো না।’

মেট্রোরেলে যুক্ত হলো আরও দুটি স্টেশন

মেট্রোরেলে যুক্ত হলো আরও দুটি স্টেশন

 

মেট্রোরেল স্টেশন চালুর তালিকায় যুক্ত হলো আরও দুটি স্টেশন। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি উত্তরা সেন্টার স্টেশন ও ১ মার্চ মিরপুর ১০ নম্বর স্টেশন চালু হবে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।


ফাইল ছবি


বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে মেট্রোরেলের অফিসে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পরিচালক এমএএন ছিদ্দিক।

এমএএন ছিদ্দীক বলেন, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে চালু হচ্ছে মেট্রোরেলের উত্তরা সেন্টার বা দুই নম্বর স্টেশন। এরপরের ধাপেই ১ মার্চ মিরপুর-১০ স্টেশন চালু হবে। আর অবশিষ্ট ৪টি স্টেশন আগামী ২৬ মার্চের মধ্যেই চালু হবে।


অন্য স্টেশনগুলো হলো: উত্তরা সাউথ, মিরপুর-১১, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া।

তিনি জানান, মেট্রোরেলের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সেবা পেতে আগামী জুন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

মেট্রোরেলের আয় সম্পর্কে ডিএমটিসিএল পরিচালক বলেন, গত ২৮ ডিসেম্বর চালুর পর এখন পর্যন্ত মেট্রোরেলে চলাচল করেছে সাড়ে ৪ লাখ যাত্রী যা থেকে আয় হয়েছে সাড়ে ৩ কোটি টাকা।

গত ২৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে মেট্রোরেলের যুগে পা দেয় বাংলাদেশ। বহু অপেক্ষার পালা শেষ করে এদিন মেট্রোরেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রেলের প্রথম যাত্রীও ছিলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পরদিন সীমিত পরিসরে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শুধু উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে চলে মেট্রোরেল। পরে ২৫ জানুয়ারি পল্লবী স্টেশনেও থামা শুরু করে মেট্রোরেল।

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে নেয়া মেট্রোরেল প্রকল্প এক দশক পর আংশিক চালু হয়েছে। চালু হওয়া মেট্রোরেল প্রকল্পটির নাম এমআরটি লাইন-৬। উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত এর দৈর্ঘ্য ২১ কিলোমিটারের বেশি। এর মধ্যে থাকছে ১৭টি স্টেশন।


মেট্রোরেল নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। মেট্রোরেলের প্রথম পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয় ২০২১ সালের আগস্টে। পরে ১৬ মাস পরীক্ষামূলক চলাচল শেষে ২৮ ডিসেম্বর মেট্রোরেল চালু হয়।

সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১

পদ্মা সেতুর পিচঢালাই অক্টোবরে: সেতুমন্ত্রী

পদ্মা সেতুর পিচঢালাই অক্টোবরে: সেতুমন্ত্রী

 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৯৪ দশমিক দুই পাঁচ ভাগ। এ বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে পিচঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে।


সোমবার (২৩ আগস্ট) মহিলা ও শিশু বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে আয়োজিত ‘জাতির পিতার হত্যাকাণ্ড, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র’ শীর্ষক জাতীয় শোক দিবসের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় তিনি এ তথ্য জানান।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত ও স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে আজ সকালে রোডওয়ে স্ল্যাবের সবকয়টি স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে পদ্মার দুই তীরের রাস্তার সংযোগ স্থাপিত হলো।

তিনি বলেন, এ বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে পিচঢালাইয়ের কাজ শুরু হবে। এ পর্যন্ত পদ্মা সেতুর সার্বিক অগ্রগতি ৯৪ দশমিক দুই পাঁচ ভাগ।

ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ড. সুলতানা শফির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম ক্রিকসহ অন্যান্য নেতারা।

​বসলো শেষ স্ল্যাব, পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল পদ্মা সেতুর সড়কপথ

​বসলো শেষ স্ল্যাব, পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল পদ্মা সেতুর সড়কপথ

 

মুন্সীগঞ্জ: শেষ হলো পদ্মা সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ। এর ফলে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সেতুতে পূর্ণাঙ্গ রূপ পেল সড়কপথ।

সোমবার (২৩ আগস্ট) সকালে সেতুর রোডওয়ের শেষ স্ল্যাব বসানো হয় বলে জানিয়েছেন পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের।  

তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর কাজ আরও একধাপ এগিয়ে গেল। এছাড়া পদ্মা সেতুর মাঝখান দিয়ে গ্যাসলাইন বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে শেষ হতে চলছে রেললাইনের কাজও। আগামী বছরের জুনের আগেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ করা হবে। এ জন্য এ প্রকল্পে কর্মরত সবাই একযোগে দিনরাত কাজ করে চলেছেন। ইতোমধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্প এলাকায় এসে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ঘোষণা দেন যে, ২০২২ সালের জুন মাসের যেকোনো দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুর শুভ উদ্বোধন করবেন। সেই লক্ষ্যে সেতু প্রকল্পে কর্মরত দেশি-বিদেশি শ্রমিকরা কাজ করে চলছেন। এ পর্যন্ত মূল সেতুর কাজের ৯৪ দশমিক ৫০ শতাংশ শেষ হয়েছে।  

সেতুর মোট ২ হাজার ৯১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাবের মধ্যে সর্বশেষটি সোমবার সকালে বসানো হয়। এর আগে চলতি বছরের ২০ জুন শেষ হয়েছিল দ্বিতল সেতুর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ।

সেতু প্রকল্পের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, চলতি বছরের জুলাই মাস পর্যন্ত সেতু প্রকল্পের সার্বিক কাজ এগিয়েছে ৮৭ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর মূল সেতুর কাজের অগ্রগতি ৯৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ মূল সেতুর কাজের আর বাকি মাত্র ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

২০০১ সালে মাওয়া পুরান ফেরিঘাটে মাছ বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই সেতুর ফলক উন্মোচন করেন সেসময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সরকার বদল হলে, থেমে যায় কাজ। আবার ২০০৯ সালে তোড়জোড় শুরু হয় কাজের। অনেক চড়াই উতরাই পার করে অবশেষে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে ৪২টি পিলারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসানো হয়। ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু পুরোপুরি দৃশ্যমান হয়েছিল। একইসঙ্গে চলতে থাকে রোডওয়ে ও রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোসহ অন্যান্য কাজ। আজ রোডওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গরূপে পদ্মা সেতু চোখের সামনে শুভ উদ্বোধনের অপেক্ষায়।  

বাংলাদেশ সময়: ১০২৫ ঘণ্টা, আগস্ট ২৩, ২০২১

শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০

‘দেশে ১৩ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন’

‘দেশে ১৩ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন’



করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ নিয়ে দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক অসচেতনতা দেখা যাচ্ছে। মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানছে না। মাস্ক পকেটে নিয়ে ঘুরছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে ভ্যাকসিন আসার আগেই দেশের ৮০ ভাগ বা প্রায় ১৩ কোটি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম।


গেল মঙ্গলবার (২২ জুন) দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ উপাচার্য এসব কথা বলেছেন। শুক্রবার তাঁর সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়েছে।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মানুষ যেভাবে চলাফেরা করছে, তাতে ভ্যাকসিন আসার আগেই হয়তো ৮০ ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাবে। এখন তো দৈনিক নমুনা পরীক্ষায় ২২-২৩ শতাংশ মানুষের করোনা পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে। এর অর্থ হলো পরীক্ষা না হওয়া অনেক সংক্রমিত মানুষ সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে। নিজের অজান্তেই রোগ ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া এখন তো অনেক আক্রান্তেরই উপসর্গ প্রকাশ পাচ্ছে না।


স্বাস্থ্যবিধি মানায় মানুষের অসচেতনতা বিষয়টি উল্লেখ করে ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, আমাদের যত টেস্ট হওয়ার দরকার, সেটা হচ্ছে না। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টিও নিশ্চিত করতে পারছি না। দুই মাস আগেও যত মানুষ মাস্ক পরে বের হতেন, এখন সেটাও দেখছি না। অনেকে মাস্ক নিয়ে ঘুরলেও তা থুঁতনিতে লাগিয়ে রাখছেন। এ নিয়ে বলতে গেলে উল্টো প্রশ্ন করছেন।

স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি আউনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, সচেতনতামূলক প্রচারণার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। কিছু এলাকায় লকডাউন দেওয়া হয়েছে, বেশিরভাগ এলাকাতেই নেই। লকডাউনের উদ্দেশ্য মানুষের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা, মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা।

এদিকে সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের যে তথ্য জানানো হয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, দেশে ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৯৪৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ২৬ হাজার ৬০৬ জনে। এছাড়া ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৯ জন। এর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬২১ জনে।


এর আগে বুধবার জানানো হয়েছিল, ২৪ ঘণ্টায় মারা যায় ৩৭ জন ও শনাক্ত হয় ৩ হাজার ৪৬২ জন। বৃহস্পতিবার মৃত্যু বেড়েছে ২ জন ও শনাক্ত বেড়েছে ৫৫৪ জন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৫৩ জনের। সে তথ্য জানানো হয় ১৬ জুনের বুলেটিনে। আর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে ৪ হাজার ৮ জনের। এ তথ্য জানানো হয় ১৭ জুনের বুলেটিনে।

বুলেটিনে বরাবরের মতো করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।

বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ২৬ মার্চ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয় সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। কয়েক দফা বাড়িয়ে এ ছুটি ৩০ মে পর্যন্ত করা হয়। ছুটি শেষে করোনার বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই ৩১ মে থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস খুলে দেয়া হয়। তবে বন্ধ রাখা হয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
সাহারা খাতুনের অবস্থার অবনতি

সাহারা খাতুনের অবস্থার অবনতি



সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য সাহারা খাতুনের ফের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। সাহারা খাতুনের ব্যক্তিগত সহকারী মুজিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে সাহারা খাতুনকে ইউনাইটেড হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সাহারা খাতুনের করোনা টেস্টে নেগেটিভ এসেছে বলেও জানান তিনি। বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি।

তিনি জানান, এর আগে সাহারা খাতুনের অবস্থার উন্নতি হলে গত ২২ জুন দুপুরে তাকে আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে (হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। উনার হার্টবিট পাওয়া যাচ্ছিল না। পাঞ্চ করে হার্টবিট ফিরিয়ে আনা হয়। এরপর বেলা ১১টার দিকে তাকে এইচডিইউ থেকে আবারও আইসিইউতে নেয়া হয়েছে।’

এর আগে, জ্বর, অ্যালার্জিসহ শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ২ জুন দিবাগত রাতে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।


তখন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া জানিয়েছিলেন, বর্তমানে সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার খোঁজখবর নিয়েছেন। তাকে আরও কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। দলের ত্যাগী প্রবীণ এ নেতার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

সোমবার, ২২ জুন, ২০২০

চীন করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করলে প্রথমেই পাবে বাংলাদেশ

চীন করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করলে প্রথমেই পাবে বাংলাদেশ



করোনাভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সফলভাবে কোনো ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে যাবতীয় সহযোগিতা ও সহায়তার ক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশকে অগ্রাধিকার দেবে বলে জানিয়েছেন চীনা দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন হুয়ালং ইয়ান।
হুয়ালং ইয়ান বলেন, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির জন্য চীনের পাঁচটি সংস্থা কাজ করছে। বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু এবং এক্ষেত্রে বাংলাদেশ অবশ্যই অগ্রাধিকার পাবে। তিনি বলেন, বর্তমান করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশকে ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়াকে চীনের সঙ্গে কূটনীতির ফসল।
করোনা সংক্রমণের শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। গত ৮ জুন ২ সপ্তাহের জন্য বাংলাদেশে আসে চীনের ১০ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল। নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশকে পরামর্শ দিচ্ছে দলটি। এর মধ্যেই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন নিয়ে এমন তথ্য জানানো হয়েছে দেশটির পক্ষ থেকে।
এর আগে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত ২০ মে টেলিফোনে কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে। দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের শীর্ষ নেতাদের আলোচনায়, চীনের প্রেসিডেন্ট করোনা মোকাবেলায় সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।

রবিবার, ২১ জুন, ২০২০

করোনাকালেও মাথাপিছু ২০ কোটি টাকা পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

করোনাকালেও মাথাপিছু ২০ কোটি টাকা পাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা



করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি, ভাটা পড়েছে রাজস্ব আয়েও। এমন সংকটের সময় গ্রামীণ সড়ক আর কালভার্ট নির্মাণের নামে এমপিদের দেয়া হলো মাথাপিছু ২০ কোটি টাকা।

অর্থনীতিবিদরা এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, সংকটকালীন অর্থ বরাদ্দে সরকারকে প্রয়োজন বুঝে ব্যয় করতে হবে। অন্যদিকে, পরিকল্পনামন্ত্রীর দাবি, জনগণের চাহিদা আছে বলেই বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

করোনা সংকটে টানা প্রায় আড়াই মাস সাধারণ ছুটিতে অনেকটাই স্থবির ছিলো দেশের অর্থনীতি। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আয়ে। শেষ হতে যাওয়া অর্থবছরেই ঘাটতি প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা।

অথচ, এমন প্রেক্ষাপটেই ২৮০ সংসদ সদস্যকে মাথাপিছু ২০ কোটি টাকা করে রাজনৈতিক বরাদ্দ দিচ্ছে সরকার। গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণের নামে সম্পূর্ণ এডিপি বহির্ভূত প্রকল্পের ব্যয় ৬ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা, যা অনুমোদন দিয়েছে একনেক।


সংকটে কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য নাকি অবকাঠামো, এমন প্রশ্নে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের জবাব, জনগণের চাহিদা আছে বলেই দেয়া হয়েছে অনুমোদন।

তিনি বলেন, অবস্থা খারাপ আপনারা বলছেন। আমরা তো বলছি না। আমিও বলছি না। 

যদিও, দীর্ঘমেয়াদে সংকট এড়াতে প্রয়োজনীয়তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রকল্প গ্রহণের পক্ষে অর্থনীতিবিদরা।


তারা বলেন, এখান থেকে অর্থ সাশ্রয় করে স্বাস্থ্যখাত বা করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজে লাগানো যেতো। 

ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২০টি আসনের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ এই আর্থিক সুবিধার বাইরে থাকছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরাও।

শনিবার, ২০ জুন, ২০২০

করোনায় আক্রান্ত হলেন মাশরাফী

করোনায় আক্রান্ত হলেন মাশরাফী



করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাশরাফী বিন মুর্তজা। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাশরাফীর বন্ধু বাবুল।

এর আগে ক'দিন হলো কিছুটা জ্বরে ভুগছিলেন মাশরাফী। শরীরে জ্বর বেশ কয়েকদিন স্থায়ী হলে করোনা টেস্ট করান নড়াইল এক্সপ্রেস। বর্তমানে নিজ বাসায় আইসোলেশনে আছেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে ফোন ধরেননি তিনি। তবে, মাশরাফীর ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাবলুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, একবার পরীক্ষায় ফলাফল পজিটিভ এসেছে। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য আরেক দফা টেস্ট করানো হবে বলে জানান বাবলু।

এর আগে মাশরাফী শাশুড়ী ও স্ত্রী সুমনা হক সুমির বড় বোন রিক্তা করোনায় পজিটিভ হন।


এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ২৪০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৮ হাজার ৭৭৫ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৭ জনের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৪২৫ জনে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ১ হাজার ৪৮ জন করোনা রোগী। সব মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৭৮৯টি। পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৩১টি।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।


দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৫৩ জনের। সে তথ্য জানানো হয় ১৬ জুনের বুলেটিনে। আর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে ৪ হাজার ৮ জনের। এ তথ্য জানানো হয় ১৭ জুনের বুলেটিনে।

শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২০

বন্ধ হচ্ছে সোনার বাংলা ও উপকূল এক্সপ্রেস

বন্ধ হচ্ছে সোনার বাংলা ও উপকূল এক্সপ্রেস



যাত্রী কম হওয়ায় ও ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ট্রেন চলাচল সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামীকাল (২০ জুন) শনিবার থেকে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ও ঢাকা-নোয়াখালী উপকূল এক্সপ্রেস চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগের মতোই ট্রেন চলবে বলে সময় সংবাদকে জানিয়েছেন রেলওয়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান। করোনার কারণে ২ মাসেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ৩১ মে থেকে দুটি পর্বে ১৯ জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন সীমিত আকারে চালানো শুরু হয়।

রেলওয়ে মহাপরিচালক শামছুজ্জামান আরও বলেন, ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা একেবারেই কম। তাই চলমান ট্রেনগুলোর মধ্যে কিছু ট্রেন বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হচ্ছে। করোনা প্রতিরোধ ও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনে যাত্রী ও ট্রেন পরিচালনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে এমনটি করা হচ্ছে। সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ও ঢাকা-নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন দুটি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হবে। এছাড়া রেড জোন দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কম যাত্রী নিয়ে চললেও ট্রেন পরিচালনার ক্ষেত্রে নির্ধারিত সব কর্মকর্তা, কর্মচারীর মাঠে কর্মরত থাকতে হয়। এতে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে যাত্রী কম হওয়ায় ট্রেন চালিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না।


রেলের পরিবহণ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পূর্বাঞ্চল রেলে যে ক’টি ট্রেন চলাচল করছে সেগুলোতে যাত্রী সংখ্যা কম। করোনা প্রতিরোধ ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিটি ট্রেনে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করার সিদ্ধান্ত আছে। কিন্তু ২০ শতাংশ টিকিটও বিক্রি হচ্ছে না।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, পশ্চিমাঞ্চলে ১৮ জোড়া ট্রেন চলাচল করছে। রাজশাহী বর্তমানে গ্রিন জোন। তবে অধিকাংশ ট্রেনই যাত্রী কম নিয়ে চলাচল করছে। ট্রেন নির্ধারিত বগি এবং জনবল দিয়েই চালাতে হয়। এছাড়া রেলপথ ও স্টেশনগুলোতে দায়িত্বশীল সবাইকে উপস্থিত থাকতে হয়। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। অর্ধেক যাত্রী হলেও আমাদের ভালো লাগত। কিন্তু দিন দিন যাত্রী সংখ্যা একেবারেই কমে যাচ্ছে।

ঢাকা রেলওয়ে বিভাগীয় প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শওকত জামিল মোহসী জানান, সোনার বাংলা ও নোয়াখালী এক্সপ্রেস ট্রেন দুটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। দুটি ট্রেন ২০ ও ২১ জুন চলাচল বন্ধ করে দেয়ার নির্দেশনা এসেছে। ফলে ওই দুটি ট্রেন ঢাকা স্টেশন থেকে ওই তারিখ থেকে চলাচল করবে না।


তিনি আরও বলেন, যাত্রীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক রয়েছে এমনটা দেখা যাচ্ছে। তাছাড়া টিকিট বিক্রি হচ্ছে খুবই কম। আমরা কমলাপুর স্টেশনে যথাযথ দায়িত্ব পালন করছি। সরকার তথা রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি। এখনও যারা ট্রেন ভ্রমণ করছেন করবেন, তাদের প্রতি অনুরোধ স্বাস্থ্যবিধিসহ রেলওয়ের ১৯টি নির্দেশনা মেনে ট্রেন ভ্রমণ করলে ঝুঁকি কমে যাবে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০

কুয়েত সরকারের সঙ্গে পাপুলের ৩৪ চুক্তি, কর্মরত ৯ হাজার শ্রমিক

কুয়েত সরকারের সঙ্গে পাপুলের ৩৪ চুক্তি, কর্মরত ৯ হাজার শ্রমিক

কুয়েতে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম পাপুলের সঙ্গে দেশটির সরকারের নানা ক্ষেত্রে অন্তত ৩৪টি চুক্তি রয়েছে। একইসঙ্গে দেশটিতে তার কোম্পানির হয়ে অন্তত ৯ হাজার শ্রমিক কাজ করে বলে জানিয়েছে আরব টাইমস।


একটি সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমটি আরও জানায়, পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচার, জালিয়াতিসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করলেও বাকি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পাপুল। কাজ আদায়ে বিভিন্ন সময় অনেককে উপহার পাঠানোর কথা জানিয়েছেন তিনি। 

তদন্তের স্বার্থে তিন কুয়েতি নাগরিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে পাপুলের কোম্পানি থেকে অন্তত ২০ জন কর্মচারীকে তলব করবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

এদিকে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন পাপুলের আদম ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কুয়েতে আসা ২ বাংলাদেশি শ্রমিক।



জবানবন্দিতে আবদুল আলিম ও আবদুল জব্বার নামের ওই দুই শ্রমিক কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান, পাপুলের লোকজন তাদের কাছ থেকে দৈনিক ৮ দিনার অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় ২ হাজার ২০০ টাকা করে নিতেন। যার বিনিময়ে তারা খুচরা কাজের অনুমতি পান। এ টাকা সংগ্রহ করতেন মাহবুব ও আমান নামে দুই ব্যক্তি।

বুধবার (১৭ জুন) কুয়েতের ইংরেজী দৈনিক আরব টাইমস পত্রিকা তাদের অনলাইন ভার্সনে এ সংবাদ প্রচার করে। 

জবানবন্দিতে দুই শ্রমিক জানান, কুয়েতে আনার আগে তাদের দৈনিক ৮ ঘণ্টা ডিউটি বলা হলেও ১৬ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে দেয়া হয়। তাদের প্রতিশ্রুত বেতনের চেয়ে কম টাকা দেয়া হয়।


গত ৭ জুন কুয়েতে মানবপাচার ও  অর্থপাচারের অভিযোগে দেশটির সিআইডির সংসদ সদস্য পাপুলকে গ্রেফতার করে। এরপরই তাকে জিঞ্জাসাবাদ শুরু করে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত

মাদারীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. ওবাইদুর রহমান কালু খান করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার (১৭ জুন) রাতে তার করোনা পজিটিভ হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকরাম হোসেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ নতুন আরও ৯২ জনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। গত ১০১ দিনের মধ্যে এটাই জেলায় সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হলো। এ নিয়ে জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৬৮ জনে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট সুস্থ হয়েছেন ১২৪ জন। নতুন আক্রান্তসহ ২৯৬ জন হাসপাতালের আইসোলেশন এবং হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মাদারীপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ইকরাম হোসেন বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে জানান, মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মো. ওবাইদুর রহমান খানের কয়েকদিন ধরেই ঠান্ডা ও কাশি ছিল। এ জন্যই তিনি ১১ জুন করোনা টেস্টের জন্য নমুনা দিয়েছিলেন। বুধবার তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। বর্তমানে তিনি বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

অ্যাডভোকেট ওবাইদুর রহমান কালু খান মাদারীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী ও মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শাজাহান খানের ছোট ভাই।

ময়মনসিংহে মেডিকেলে করোনা পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ

ময়মনসিংহে মেডিকেলে করোনা পরীক্ষা সাময়িক বন্ধ

ময়মনসিংহে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ বন্ধ রাখা হয়েছে। কারিগরি ত্রুটির কারণে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে পরীক্ষা সাময়িক বন্ধের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিভিল সার্জন অফিস।

বুধবার (১৭ জুন) রাতে সিভিল সার্জনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এমন ঘোষণা দেয়া হয়।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ বি এম মসিউল আলম জানান, কারিগরি ত্রুটি ও নতুন কিট আসার অপেক্ষার জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ২/১ দিনের মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে আশা করি। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত হাসপাতালে নতুন করে নমুনা না দেয়ার জন্যও অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে বুধবার ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় অসংগতি দেখা দেয়ায় ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি বলে জানান বিভাগের প্রধান ডা. সালমা আহমেদ। তবে নতুন কিট চলে আসলেই পরীক্ষা যথারীতি শুরু হবে বলেও জানান তিনি।


ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের করোনা শনাক্তের ল্যাবে তিনটি মেশিনে প্রতিদিন সর্বোচ্চ আট ধাপে ৭৫২টি নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হতো। এ পর্যন্ত এ ল্যাবে ১ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত ২৪ হাজারের বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এতে ময়মনসিংহ বিভাগের ২ হাজার ২০২ জন মানুষের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা না হওয়া এবং নমুনা সংগ্রহ বন্ধ থাকায় উদ্বিঘ্ন রোগী ও তাদের স্বজনেরা।
গভীর জঙ্গলে মিলল জলদস্যুদের অস্ত্রের কারখানা

গভীর জঙ্গলে মিলল জলদস্যুদের অস্ত্রের কারখানা

সুন্দরবনের পূর্বপাশে মাঝেরচরে গভীর জঙ্গলে সন্ধান মিলেছে জলদস্যুদের অস্ত্র তৈরির কারখানার। বুধবার (১৭ জুন) দিনভর অভিযানের পর রাতে আস্তানাটি খুঁজে পাওয়া যায়। এ সময় উদ্ধার করা হয় ৫টি পাইপগান, অস্ত্র তৈরির নানা সরঞ্জাম ও কয়েক রাউন্ড গুলি।


গভীর অরণ্যের ভেতরে ঝুপড়ি আর গাছে গাছে লুকানো বন্দুক আর অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। সুন্দরবনের পূর্ব পাশে দিনভর অভিযানের পর সন্ধ্যায় খোঁজ এসবের খোঁজ পায় কোস্টগার্ড। উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই পালিয়েছে জলদস্যুরা।

সুন্দরবন ও তার আশপাশে জলদস্যুরা সংগঠিত এমন খবর পেয়ে বুধবার বেলা ১২টার পর অভিযানে নামে কোস্টগার্ড পাথরঘাটা স্টেশনের সদস্যরা। সাথে ছিল পুলিশ ও সময় সংবাদ। অভিযানে পাওয়া যায় ৫টি একনালা বন্দুক, অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম ও বেশ কিছু গুলি।

কোস্টগার্ড স্টেশন কমান্ডার মেহেদি হাসান বলেন, পরিত্যক্ত অবস্থায় ৫টি অস্ত্র পেয়েছি এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে।


অভিযান শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ব্রিফিংয়ে কোস্টগার্ড জানায়, আস্তানায় অস্ত্র তৈরি করে জলদস্যু ও সন্ত্রাসীদের কাছে বিক্রি করা হতো। আলামত ও আস্তানার যে চিত্র ছিল, তাতে বোঝা যাচ্ছে, এটা একটা দেশীয় অস্ত্র তৈরির কারখানা ছিল।

২০১৮ সলের ১ নভেম্বর সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এর দুবছর না যেতেই সুন্দরবনের পাশ থেকে দস্যু আস্তানা ও অস্ত্র উদ্ধার করলে কোস্টগার্ড।
বিনা কারণে দফায় দফায় বাড়ছে চালের দাম

বিনা কারণে দফায় দফায় বাড়ছে চালের দাম

কোনো কারণ ছাড়াই দফায় দফায় বাড়ছে চালের দাম। সময় সুযোগ বুঝে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে মিলারদের সিন্ডিকেট। পাইকাররা দুষছেন মিলারদের। তবে মিলাররা এ অভিযোগ মানতে রাজি নন। ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকার পরও চালের মূল্য বৃদ্ধি বড় রকমের কারসাজি বলে মনে করেন খাদ্য গবেষকরা।

চালের বাজার আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে খাদ্য ভাণ্ডার বলে পরিচিত উত্তরের জেলা দিনাজপুরে। ধানের ভরা মৌসুমে প্রকারভেদে সব ধরনের চাল কেজিতে ৩ থেকে ৪ টাকা বেড়েছে। আড়তদার ও পাইকারদের অভিযোগ মিলাররা সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে দাম বেশি রাখছে। তার প্রভাব পড়ছে বাজারে। মিলারদের হিসাব অনুযায়ী, ধান কিনে চাল করতে প্রতি কেজিতে ৩৬ থেকে ৩৯ টাকা পড়ে। অথচ মিল গেটে প্রকারভেদে প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৩ থেকে ৪৮ টাকায়। আর সেই চাল হাত ঘুরে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের ৪৬ থেকে ৫১ টাকা কেজি। এ জন্য আড়তদার ও পাইকাররা দুষছেন মিলারদের।

পাইকার ও আড়তদাররা বলেন, মিলাররা দাম বেশি ধরছে। প্রতি বস্তায় ১শ’ থেকে ১৫০ টাকা বেশি নিচ্ছেন তারা। ধান আর চালের দামে অনেক তফাত। 

অভিযোগ অস্বীকার করে চালকল মালিক গ্রুপ বলছে, উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই চাল বিক্রি করা হচ্ছে।


মালিক গ্রুপ দিনাজপুরের সভাপতি মোসাদ্দেক হুসেন বলেন, অতিরিক্ত দাম বা সিন্ডিকেটের তথ্য সঠিক নয়। আসলে আমরা কোনো ভাবেই দাম সরকারের নির্ধারিত মূল্যে নিয়ে আসতে পারছি না।

কোনো কারণ ছাড়াই মূল্যবৃদ্ধির কারসাজি বন্ধে সরকারের কঠোর নজরদারি দরকার বলে মনে করেন গবেষক ড. মাসুদুল হক।

তিনি বলেন, চালের দাম বেড়ে গেলে মানুষ খুবই সংকটে পড়ে যাবে। তাই এখনই এটা নিয়ন্ত্রণে আনা উচিত। 


জেলায় খাদ্য বিভাগ এবার মিলারদের কাছ থেকে প্রায় ৯২ হাজার মেট্রিক টন চাল ক্রয় করবে। বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৮ লাখ মেট্রিক টন। 
চাঁদপুরে আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনার উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু

চাঁদপুরে আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনার উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু

চাঁদপুর আইসোলেশন ওয়ার্ডে করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে দুজন মারা গেছেন।  

বুধবার (১৭ জুন) রাত সাড়ে ৮টায় ভর্তি হয় সুনীল সাহা (৬০) নামের এক ব্যক্তি। তিনি এক ঘণ্টা পর মারা যান। জেলার হাজীগঞ্জ পৌরসভার বলাখাল এলাকায় সুনীল সাহার বাড়ি। রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাভলী আক্তার (৩০) নামে এক নারীকে নিয়ে আসা হলে ঠিক এক ঘণ্টা পর তিনিও মারা যান। তার বাড়ি চাঁদপুর পৌরসভার বাবুরহাট এলাকায়।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল জানান, সর্দি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে এ দুজনকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তাদের অবস্থা ছিল সংকটাপন্ন। ফলে রোগীর অক্সিজেনের মাত্রা ৫০ এর নিচে নেমে যাওয়ায় তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ডা. রুবেল আরও জানান, নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাদের দাফন ও সৎকার করা হয়েছে।


এদিকে এ পর্যন্ত চাঁদপুরে করোনা পজিটিভ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ শতাধিক। মারা গেছেন ৪৩ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মারা যান আরও ৬৫ জন।

তবে ভয়াবহভাবে এমন মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পরও জেলায় পুরোপুরিভাবে এখনও লকডাউন কার্যকর অথবা রেড জোন ঘোষণা করা হয়নি।

এ নিয়ে প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগের অসচেতনতাকে দায়ী করছেন সাধারণ জনগণ। অন্যদিকে জনগণকে নিয়ন্ত্রণে নিতে ব্যর্থ হওয়ার অভিযোগ করেছে সুশীল সমাজ।


এমন পরিস্থিতিতে জেলা সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্লাহ জানান, করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এবং তাদের অবস্থান চিহ্নিত করে ম্যাপিং বা ছক তৈরি করা হয়েছে। এটি কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়া মাত্রই ব্যবস্থা নেয়া হবে।