লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৪

গরমে এসির তাপমাত্রা কত থাকলে শরীর সুস্থ থাকে?

গরমে এসির তাপমাত্রা কত থাকলে শরীর সুস্থ থাকে?

 

গরমে এসির তাপমাত্রা কত থাকলে শরীর সুস্থ থাকে?


গরমে দাবদাহে প্রশান্তির ছোঁয়া পেতে এসি ছাড়া যেন চলছেই না। কিন্তু আপনি কি জানেন, সুস্থতা নিশ্চিতে এসির তাপমাত্রা কত থাকা ভালো?






কলকাতার বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আশিস মিত্র বলছেন, তীব্র গরমে সঠিক তাপমাত্রায় না থাকলে শরীরে নানা রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। গরমে যা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। তাই সবারই জানা প্রয়োজন ঠিক কত তাপমাত্রায় এসি চালানো উচিত।

 
ডা. আশিস বলেন, ঘরে এসি ব্যবহার করলে সঠিক কত পয়েন্টে রাখতে হবে তা বলা যাচ্ছে না। কারণ প্রাকৃতিক তাপমাত্রা কথনও বাড়ছে আবার কখনও কমছে। তাই আমি বলব, বাইরের তাপমাত্রা আর ঘরের তাপমাত্রার পার্থক্য সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৩ হওয়া প্রয়োজন। আর সে হিসাবেই এসির পয়েন্ট নির্ধারণ করা উচিত।
 
উদাহরণ টেনে ডা. আশিস বলেন, ধরুন বাইরে তাপমাত্রা ৪০ চলতে থাকলে এসির পয়েন্ট হতে হবে ২৭ অথবা ২৮। এ নিয়ম মেনে চললেই শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না। হুট করে ঠান্ডা লেগে যাওয়ার আশঙ্কা কমবে।
 
অনেকেই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এসির পয়েন্ট  ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি দিয়ে দেন। এত ঠান্ডায় ঘুমানো শান্তির মনে হলেও তা শরীরে নানা জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই ঘুমানোর সময় ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি এসির পয়েন্ট দেয়ার পর স্লিপ মোড অন করে দিন। এতে  ধীরে ধীরে বাইরের তাপমাত্রা অনুযায়ী এসি নিজের টেম্পারেচার ঠিক করে নেবে।

 
যেসব এসিতে স্লিপ মোড নেই, তাদের ক্ষেত্রে ডা. আশিস বলছেন, এসি বন্ধ করে ফ্যান মোড বা পাখা চালিয়ে দিতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো গরমে অনেকটা সময় কাটিয়ে হঠাৎ এসি রুমে ঢুকে পরবেন না। এতে রক্তের ধমনী সংকুচিত হয়ে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

 
তাই চেষ্টা করুন, এসি রুম থেকে বের হয়ে কিছুক্ষণ ছায়ায় থেকে তারপর রোদে বের হতে। আবার রাস্তার প্রখর রোদ থেকে কিছুক্ষণ ছায়ায় দাঁড়িয়ে তারপরই এসি রুমে প্রবেশ করুন।  

সোমবার, ১ জুন, ২০২০

নিম্ন রক্তচাপের ঘরোয়া সমাধান

নিম্ন রক্তচাপের ঘরোয়া সমাধান



নিম্ন রক্তচাপ (বিপি) হাইপোটেনশন হিসাবে পরিচিত। আপনার রক্তচাপ যদি ৯০ এমএমএইচজি এবং ৬০ এমএমএইচজি থেকে কম হয় তবে এটি নিম্ন রক্তচাপ।

উচ্চ রক্তচাপের মতো নিম্ন রক্তচাপ অতটা উদ্বেগজনক নয়। তবে, যদি আপনার রক্তচাপ ক্রমাগত কম থাকে বা ঘন ঘন হ্রাস পায়, তবে এটি উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।

যদি আপনি ক্রমাগত মাথা ঘোরা এবং ক্লান্তি অনুভব করেন, তবে এমন হতে পারে যে আপনার অঙ্গগুলিতে পর্যাপ্ত রক্ত সরবরাহ হচ্ছে না।

স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে রক্তচাপ বাড়ানোর জন্য আপনার চিকিৎসা সংক্রান্ত হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।

রক্তচাপের লক্ষণ
হালকা মাথাব্যথা অনুভব করা, মাথা ঘোরা, মূর্ছা যাওয়া, বুকে ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি, তৃষ্ণা বৃদ্ধি এবং বমি বমি ভাব নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ। এসব লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন হন, যাতে আপনি নিম্ন রক্তচাপ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের সাবধানতা অবলম্বন করতে পারেন।

চলুন জেনে নিই, নিম্ন রক্তচাপ বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়-

পানি পান করুন
যখনই আপনি নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ অনুভব করবেন, সঙ্গে সঙ্গে আপনার কিছুটা পানি পান করা উচিত। পানি রক্তের পরিমাণ বাড়ায়, যা কম রক্তচাপের ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়তা করে।


অল্প অল্প করে ঘন ঘন খাবার খান
আপনি যদি প্রায়শই নিম্ন রক্তচাপের সম্মুখীন হন, তবে দীর্ঘ বিরতিতে খাবার খাওয়ার পরিবর্তে আপনার অল্প অল্প করে ঘন ঘন খাবার খাওয়া উচিৎ। অল্প অল্প করে খাওয়া খাবার রক্তচাপ কমে যাওয়া রোধ করতে পারে।

কিছুটা নুন খান
যখন নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ অনুভব করেন তখন কিছুটা লবণ খেতে পারেন। লবণ চট করে রক্তচাপ বৃদ্ধি করতে পারে। এছাড়াও, নিম্ন রক্তচাপের লোকেরা রক্তের চাপ স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখতে কিছুটা বেশি লবণ খাওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

বসার সময় পা ক্রস করুন
যখনই আপনি নিম্ন রক্তচাপের লক্ষণ অনুভব করতে শুরু করবেন, তখন পা ক্রস করে বসে থাকার চেষ্টা করুন। এটি রক্তচাপ বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

হঠাৎ অবস্থানের পরিবর্তন এড়িয়ে চলুন
আপনি যদি নিম্ন রক্তচাপের ঝুঁকিতে থেকে থাকেন তবে অবশ্যই হঠাৎ করে বসে পড়বেন না বা দাঁড়িয়ে যাবেন না। কারণ, হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তনের ফলে মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব এবং ব্ল্যাক-আউট অনুভব করতে পারে। শরীরের অবস্থানের হঠাৎ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে হৃৎপিণ্ড দ্রুত পর্যাপ্তরূপে রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হতে পারে।

অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ থেকে বিরত থাকুন
নিম্ন রক্তচাপ থাকলে অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ করা উচিত নয়। কারণ, এটি রক্তচাপকে আরও হ্রাস করতে পারে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

লকডাউনে অনিদ্রা কাটাতে করণীয়

লকডাউনে অনিদ্রা কাটাতে করণীয়


করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে লকডাউনে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন মানুষ। এই মহামারিতে ঘরে থাকতে থাকতে অনেকেই অনিদ্রা বা ইনসমনিয়ায় ভুগছেন। অথচ, এই পরিস্থিতিতে কম ঘুম বা অনিদ্রা স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অপর্যাপ্ত ঘুমে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যেতে পারে।

ঘুম বা নিদ্রা হচ্ছে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণীর দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের ফাঁকে বিশ্রাম নেয়ার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ঘুম কম হলে, মানুষের শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, রক্তে শর্করা বাড়ে, রক্তচাপ বাড়ে। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এ অবস্থা দীর্ঘমেয়াদি হলে ক্লান্তি, অবসাদ, মনোযোগহীনতা, চিন্তা ও স্মৃতিশক্তির সমস্যা, খিটখিটে মেজাজ ইত্যাদি সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা নানা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

চলুন জেনে নিই, লকডাউনে অনিদ্রা কাটাতে করণীয়:

  • লকডাউনের এই সময় সবার রুটিনের ব্যত্যয় ঘটছে। তারপরও রুটিন মেনে চলার চেষ্টা করুন। নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে যাওয়া, আর নির্দিষ্ট সময় ওঠার অভ্যাস ধরে রাখুন।

  • চোখে ঘুম এলেই কেবল বিছানায় যাবেন। বিছানায় যাওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে ঘুম না এলে উঠে পড়ুন। বই পড়ুন অথবা গান শুনুন, কিংবা পছন্দের কিছু করুন। তাই বলে স্নায়ু উদ্দীপ্ত করে এমন কিছু, যেমন করোনার সংক্রমণের সংবাদ দেখা-শোনা, সিনেমা দেখা ইত্যাদি করবেন না।
  • শোবার ঘর ও বিছানা শুধু ঘুমানোর জন্যই ব্যবহার করতে হবে। বিছানায় ল্যাপটপে কাজ করা, মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকা, গেমস খেলা, খাওয়া-দাওয়া ইত্যাদি উচিত নয়।
  • ঘুমের সময়ের ৪ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে চা-কফি ইত্যাদি পান করবেন না।
  • দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস ত্যাগ করুন। যাদের ঘুমের সমস্যা হচ্ছে, তারা দিনের বেলা ঘুমানো বাদ দিন।
  • এ সময় মানসিক চাপ কমাতে অতিরিক্ত করোনা মহামারিসংক্রান্ত সংবাদ, টক শো ইত্যাদি দেখবেন না। ঘুমের আগে তো নয়ই।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কিছুতেই ঘুমের ওষুধ সেবন করবেন না। বিশেষ করে, যাদের সচরাচর ঘুমের সমস্যা হয় না, তারা তো নয়ই। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে।


কোন কোন অবস্থায় ভুলেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে না?

কোন কোন অবস্থায় ভুলেও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যাবে না?


করোনাভাইরাস মহামারির পর হাত ধোয়া আমাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহারও বেড়েছে। হাতের জীবাণু দূর করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলেও কিছু সময়ে এটি থেকে দূরে থাকা উচিত। চলুন তেমনই কয়েকটি অবস্থা সম্পর্কে জেনে নিই।
অধিক পরিমাণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নয়
জীবাণু ধ্বংসের জন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা ভালো। তবে অধিক পরিমাণে এটি ব্যবহার করলে হাতের ভালো ব্যাকটেরিয়াকেও এটি মেরে ফেলতে পারে। যা আমাদের সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। এই ভালো মাইক্রোবায়োমগুলোকে বাঁচাতে ঠিক কতটুকু হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত তা নির্ণয় করা অবশ্য কঠিন। তবে কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো করলে আপনি হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ব্যবহার এড়াতে পারবেন।
সাবান ও পানি
আপনার পাশেই যদি সাবান ও পানি থাকে তাহলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাদ দিন। কারণ, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সংস্থার মতে, জীবাণু থেকে মুক্তি পাওয়ার সর্বোত্তম উপায় হলো সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড হাত ধোয়া। যেকোনো পরিস্থিতিতে হাত পরিষ্কার করার জন্য সাবান ও পানি প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত।
হাতে দৃশ্যমান ময়লা থাকলে
আপনার হাতে দৃশ্যমান ময়লা থাকলে তার ওপর যদি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন তাহলে সেটি আরও বেশি ময়লা ও কর্দমাক্ত হওয়া ছাড়া আর কিছুই করবে না। কারণ অ্যালকোহলের তৈরি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ময়লা দূর করতে পারে না এমনকি এই অবস্থায় সেটি খুব কম সংখ্যক জীবাণু মারতে পারে।
সুতরাং হাতের ময়লা দূর করতে অবশ্যই আপনাকে সাবান ও পানি দিয়েই হাত ধুতে হবে। যেমন খেলাধুলা, বাগানে কাজ করা বা এসব ধরনের কোনো কাজ করার পর হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত নয়।
আপনার সামনে কেউ হাঁচি দিলে​
সত্যি করে বলুনতো কেউ আপনার সামনে হাঁচি দিলে কতবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেছেন? হয়তো অনেক বার, ঠিক নয় কি? আপনার সামনে কেউ যদি হাঁচি-কাঁশি দেয় তাহলে ড্রপলেটের মাধ্যমে নিঃশ্বাসের সঙ্গে আপনি সেই জীবাণু গ্রহণ করতে পারেন। এখানে সংক্রমিত হওয়ার জন্য শুধুমাত্র হাত দায়ী নয়।
কোনো কিছু স্পর্শ না করলে
আপনি যদি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন তাহলে তা ভালোর পরিবর্তে বিপদ ডেকে আনবে। কারণ কোনো কিছু স্পর্শ না করলে বা পরিস্কার হাতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে অ্যালকোহল প্রতিরোধী জীবাণু তৈরি হবে এবং পরবর্তীতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারে কোনো কাজ করবে না।
মাত্র ৫ মিনিট আগে স্যানিটাইজার ব্যবহার করেছেন
মাত্র ৫ মিনিট আগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেছেন। আবারও তা ব্যবহার করার জন্য হাতে নিয়েছেন। তাহলে চরম ভুল করছেন আপনি। কারণ, ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে ত্বকে জ্বালাপড়া এবং হাত শুকিয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য বারবার ব্যবহার না করে একবার ভালো করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উত্তম। এজন্য পরিমাণমতো স্যানিটাইজার নিয়ে ২০ সেকেন্ড হাতের সব পাশে ভালো করে ঘষে ঘষে লাগিয়ে নিন, যতক্ষণ এটি না শুকায় ততক্ষন ঘষতে থাকুন।
বাচ্চাদের পাশে থাকলে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন
হ্যান্ড স্যানিটাইজার বাচ্চাদের উপর ব্যবহার করা নিরাপদ কারণ স্যানিটাইজারের ফলে শরীরে অ্যালকোহলের কোনো উল্লেখযোগ্য শোষণ হয় না। তবে অ্যালকোহলভিত্তিক স্যানিটাইজারের ইনজেশন বা শ্বাস গ্রহণের ফলে বিষক্রিয়া হতে পারে। ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত, মার্কিন বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলি শিশুদের মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এক্সপোজার সম্পর্কে প্রায় ৮৫ হাজার কল পেয়েছিল। এ ধরনের হ্যান্ড স্যানিটাইজার কখনো সহজ জায়গাগুলোতে রাখা উচিত নয়।
ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে গেলে
ফ্লুতে আক্রান্ত হলে নিয়ম মেনে হাত পরিস্কার ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে। তবে এর মানে এই নয় যে আপনি বাইরে ঘোরাফেরা করতে পারবেন। এটি সংক্রমণ প্রতিরোধের উপায় তবে ফ্লুতে আক্রান্ত হলে আপনাকে বাড়িতেই থাকতে হবে।