শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২০ জুন, ২০২০

দেশে ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: পলক

দেশে ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয় হবে: পলক



দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে দেশে চালু হবে ভার্চুয়াল বিশ্ববিদ্যালয়। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ভার্চুয়াল মাধ্যমে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলে বাণিজ্যিক কার্যক্রম প্রসারে শিগগিরই একটি ভার্চুয়াল ইউনিভার্সিটি অব মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ইনোভেশন চালু করা হবে। এতে আইবিএ’র সার্টিফিকেট কোর্স থাকবে।

এসময় তিনি বলেন, করোনাপরবর্তী সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যবস্থাপকদের দক্ষতা উন্নয়নে শুরু হয়েছে এসিএমপি ৪.০ গ্রীষ্মকালীন এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। নিউ নরমাল পরিস্থিতিতে কর্মী ঝরেপড়া কমিয়ে ব্যবসায় সম্প্রসারণের বিভিন্ন মডিউল নিয়ে ৪টি ব্যাচে তিন মাসের এই কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ২২৮ জন মিড ম্যানেজমেন্টে কর্মরত পেশাজীবী।

তিনি জানান, আইসিটি বিভাগের এলআইসিটি প্রকল্পের অধীনে ১৪তম-১৭তম ব্যাচের এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সপ্তাহে ৩-৪ দিন অনলাইনে ক্লাস হবে। ১২ সেশনে অনুষ্ঠিত হবে ৮০টি ক্লাস। প্রতিদিনই পরীক্ষা হবে। আর সনদ পেতে কমপক্ষে ৭০ শতাংশ ক্লাসে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

রবিবার, ৩১ মে, ২০২০

করোনাকালে চাকরির প্রস্তুতি

করোনাকালে চাকরির প্রস্তুতি



করোনা পরিস্থিতির কারণে বিভিন্ন সেক্টরের মতো দেশের চাকরির বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। চাকরির নিয়োগ পরীক্ষাগুলো স্থগিত হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বেশ কয়েকটি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তাই চাকরিপ্রার্থীদের বসে থাকারও সুযোগ নেই।

রুটিন করে পড়াশোনা:

করোনার এই পরিস্থিতির কারণে সারা দিনরাতই বাসায় থাকতে হচ্ছে। চাকরিপ্রার্থীদের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার এটা বড় সুযোগ। প্রস্তুতিকে আরো কার্যকর করতে পড়ালেখার জন্য একটা রুটিন বা পাঠ পরিকল্পনা করা যেতে পারে।

পড়ালেখার জন্য প্রতিদিন সাত-আট ঘণ্টা বরাদ্দ রাখা যেতে পারে। সেখানে গণিত ও ইংরেজির জন্য চার ঘণ্টা। বাকি সময় অন্যান্য বিষয়ের জন্য রাখতে পারলে ভালো হয়। কেননা চাকরির পরীক্ষায় গণিত ও ইংরেজি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই দুটি বিষয়ই অন্য প্রার্থীদের থেকে আলাদা করে দেয়। ভোরবেলাই পড়াশোনা করার উপযুক্ত সময়। কেননা এই সময়ে পরিবেশটা নির্মল, শান্ত থাকে। তাই আপনি এই সময়ে পড়ালেখা করলে সহজেই মনে থাকবে।

ফেসবুক গ্রুপে আলোচনা:

দেশের চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতির জন্য জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে। এসব গ্রুপে নিয়মিত বহু পোস্ট হয়। যাঁরা যে ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ, তাঁরা সেসব বিষয় নিয়ে পোস্ট দেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন; কারো কোনো ব্যাপারে জানার থাকলে উত্তর দেন। চাকরির প্রস্তুতিবিষয়ক এসব ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে দূরদূরান্ত থেকে লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থী অভিজ্ঞদের পরামর্শসহ বিভিন্ন বিষয় জানতে পারছেন। এসব গ্রুপ যোগ দিলে চাকরির নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, চাকরির পরীক্ষার নোটিশ, বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, মোটিভেশনমূলক লেখা, চাকরি পাওয়ার গল্প, প্রস্তুতির কৌশল, ভাইভা অভিজ্ঞতাসহ বিভিন্ন বিষয় তাত্ক্ষণিকভাবে জানা যায়। প্রত্যন্ত অঞ্চলের যে ব্যক্তি  কখনো বিসিএস ক্যাডার, ব্যাংকারসহ প্রথম শ্রেণির অন্য চাকরিজীবীদের সরাসরি পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ পাননি, তিনিও ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে এই সুযোগটি পাচ্ছেন। এসব গ্রুপে নিয়মিত বিষয়ভিত্তিক মডেল টেস্টও হয়। প্রতিনিয়ত অনেকেই এসব গ্রুপের মডেল টেস্টে অংশগ্রহণ করে থাকেন। চাকরির প্রস্তুতির উল্লেখযোগ্য গ্রুপ হলো—

BCS Preliminary Campaigner,

Banking Career Preparation,

Bangladesh Bank Exam Aid (BBEA),

BCS Preliminary Analysis,

BCS : Our Goal,

অনুবাদ চর্চা,

Banking Career in Bangladseh (BCB),

Bankers Selection Guide (BSG), Bangladseh Bank Recruitment Guide (BBRG),

Zakir BCS Special,

Sub-inspector written & viva campainer, অনুবাদ চর্চা,

প্রাইমারি-নিবন্ধন-সকল জব ইত্যাদি।

অনলাইনে প্রস্তুতি:

চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ইংরেজি, গণিত, মানসিক দক্ষতা ও কম্পিউটারের প্রস্তুতির জন্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে। এসব ওয়েবসাইটে যেমন প্রস্তুতি নেওয়া যায়, তেমনি পরীক্ষা দিয়ে নিজেকে যাচাইয়ের সুযোগও রয়েছে। পরীক্ষা দেওয়ার পর ব্যাখ্যাসহ উত্তরপত্র দেখা যায়। ফলে ভুলগুলো সহজে শুধরে নেওয়া যায়। পরীক্ষার পর কতগুলো প্রশ্ন সঠিক হয়েছে, কতগুলো ভুল হয়েছে; ভুল প্রশ্নের উত্তর কী হবে—সেসব জানা যাবে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-উত্তর, প্রস্তুতিমূলক পরামর্শও পাওয়া যাবে। জনপ্রিয় কয়েকটি বিদেশি ওয়েবসাইট হলো : sawaal.com, indiabix.com, examveda.com, majortests.com, gyanjosh.com, gmatclub.com, competoid.com, affairscloud.com প্রভৃতি। এ ছাড়া বাংলাদেশিও বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট রয়েছে। তা হলো : www.model-test.com, jobtestbd.com, www.bcsstudy.com/test, mcqstudybd.com, bcsstudy.com প্রভৃতি। এসব ওয়েবসাইটের বেশির ভাগেরই ইউটিউব চ্যানেল আছে। সেখান থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।

জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপ রয়েছে। এসব গ্রুপে নিয়মিত বহু পোস্ট হয়। যাঁরা যে ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ, তাঁরা সেসব বিষয় নিয়ে পোস্ট দেন, নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন; কারো কোনো ব্যাপারে জানার থাকলে উত্তর দেন

অনুবাদে দক্ষ হোন:

বিসিএস, ব্যাংকের চাকরিসহ যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় অনুবাদ এসে থাকে। কিন্তু অনেকেই অনুবাদে অদক্ষ। তাই আপনি যদি অনুবাদে দক্ষ হতে পারেন, তাহলে অন্য প্রার্থীদের থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে থাকবেন বলাই যায়। প্রতিদিন অনলাইনে ইংরেজি পত্রিকার এডিটরিয়াল অনুবাদ করতে পারেন। অনুবাদ করতে প্রথম দিকে হয়তো কিছুটা সমস্যায় পড়তে পারেন। মানসম্মত অনুবাদ না-ও হতে পারে; কিন্তু আপনি যদি নিয়মিত অনুবাদ করতে থাকেন তাহলে কয়েক মাসের মধ্যে আপনার অনুবাদে সাবলীলতা, দক্ষতা চলে আসবে। আর এই দক্ষতা আপনার পরবর্তী সময় ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় দারুণ কাজে দেবে। অনুবাদ করে ফেসবুকের বিভিন্ন অনুবাদ বা ইংরেজি চর্চার গ্রুপে পোস্ট করতে পারেন অথবা পরিচিত কেউ অনুবাদে দক্ষ থাকলে তাঁকে মেসেঞ্জার কিংবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে চেক করে নিতে পারেন।

বিকল্প পরিকল্পনা রাখুন:

আমাদের সামনের দিনগুলো অনেকটাই  অনিশ্চিত। আমরা কখনোই বলতে পারি না, আগামীকাল কী ঘটবে। এ জন্য বুদ্ধিমানের কাজ হবে এ-প্ল্যান, বি-প্ল্যান ঠিক করে রাখা। অর্থাত্ প্রথম লক্ষ্য, দ্বিতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করে রাখা। ধরুন, আপনার এ-প্ল্যান হলো বিসিএস ক্যাডার হওয়ার। বিসিএস তো একটা দীর্ঘমেয়াদি সময়ের ব্যাপার। তা ছাড়া এখানে প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। তাই  বি-প্ল্যানে অন্য কোনো লক্ষ্য রাখলে হতাশা আসবে না। তা ছাড়া দেশে করোনাভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতি থেকে কবে মুক্তি পাওয়া যাবে। তারও কোনো নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে চাকরির বাজারে আগুন লেগে যাওয়ার মতো অবস্থা হবে। কেননা এই সংকটে অনেকের চাকরি চলে যাচ্ছে। তাই বিকল্প এমন পরিকল্পনা করে রাখুন, যাতে এসব চাকরি না হলেও আপনি হতাশ না হয়ে পরিকল্পনামাফিক অন্য কিছু করতে পারেন।

গ্রুপ স্টাডি:

গ্রুপ স্টাডি বা দলগত পড়াশোনা খুবই কার্যকর; কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আপনি চাইলে ঘরে বসেও গ্রুপ স্টাডি বা দলগত পড়াশোনা করতে পারেন। কয়েকজন বন্ধু বা সমমনা ব্যক্তি মিলে একটি ফেসবুক গ্রুপ খুলে ফেলুন।

আপনার যে বিষয়ে ভালো দখল আছে সে বিষয়ে লাইভে এসে আলোচনা করত গ্রুপের অন্য সদস্যরা কমেন্ট বক্সে প্রশ্ন করতে পারবেন। আপনি সেগুলোর উত্তর দেবেন। তারপর অন্য দিন আরেকজন গ্রুপে লাইভে এসে একই প্রক্রিয়ায় আলোচনা করতে পারেন। বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইট ও অ্যাপস আছে  যার মাধ্যমে লাইভে একাধিক মানুষ আসা যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো Zoom Cloud Meating। এই অ্যাপটি প্লেস্টোর থেকে নামিয়ে আপনার স্মার্টফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন। একসঙ্গে অনেকেই লাইভে এসে পরস্পরকে দেখে কথা বলতে পারবেন। এ ছাড়া আপনি Stream Yard ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে আপনার ফেসবুক আইডির সঙ্গে যুক্ত করে দিলে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও একাধিক মানুষ  একসঙ্গে লাইভে আসতে পারেন।

এ রকম আরো বেশ কয়েকটি অ্যাপস ও ওয়েবসাইট রয়েছে।

করোনায় যদি মারা যাই:

হয়তো অনেকে বলবেন, ‘করোনাভাইরাসে যদি মরে যাই তাহলে এত পড়াশোনা করে কী হবে?’ কিন্তু আপনি যদি বেঁচে যান, চাকরিপ্রার্থী হলে তো ঘুরেফিরে চাকরির পরীক্ষায়ই বসতে হবে! আবারও এসব বই-পুস্তক পড়তে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অনেক চাকরির পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তখন তাড়াহুড়া করে পড়ালেখা গুছিয়ে নেওয়ার সময় হবে না। তাই এ পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে নিজের প্রস্তুতির জন্য পাঠ পরিকল্পনা ঠিক করুন, আর সে অনুযায়ী এগোতে থাকুন। নিজেকে ব্যস্ত রাখার আরেকটি ভালো দিক হলো, পারিপার্শিক অবস্থার কারণে মানসিকভাবে অনেকেই ভেঙে পড়েছেন, এ অবস্থা থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক থাকা যাবে।

করার আছে অনেক কিছু:

এই সময়ে ফ্রি হ্যান্ডরাইটিং বা মুক্তহস্তে লেখার অভ্যাস করতে পারেন—বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমে। এগুলো চাকরির লিখিত পরীক্ষায় কাজে দেবে। অবসর সময়ে গল্প, উপন্যাস, অনুপ্রেরণামূলক বই পড়া যেতে পারে। শারীরিক চর্চা ও নিজ ধর্মের প্রার্থনার মাধ্যমে মন, শরীর ভালো রাখতে পারেন।
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছন, আত্মবিশ্বাস নিয়ে মহামারি করোনাভাইরাস দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ধাপে ধাপে খোলা হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।  
রোববার (৩১ মে) সকাল ১১টায় গণবভনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।  

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফলের অনুলিপি তুলে দেয়া হয়। সেখানে ফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। 

সকাল ১১ টায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিক্ষাবোর্ডের সার্ভার থেকে এসএমএসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফল জানিয়ে দেয়া হচ্ছে।

মোবাইলে ফল পেতে

SSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন বলে জানানো হয় বিজ্ঞপ্তিতে। আর এতে খরচ হবে ২ টাকা ৫৫ পয়সা।

ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে।


ফল প্রকাশের দিন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোর অফিস বন্ধ রাখতে বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলেও এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়নি। আর প্রতিবার ফলাফল নিয়ে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু এবার তা হয় নি।

শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০

গুগলের ডাক পেলেন বাংলাদেশের অনিক

গুগলের ডাক পেলেন বাংলাদেশের অনিক



টেক জায়ান্ট গুগল-এ যোগ দিতে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অফার লেটার পেয়েছেন বাংলাদেশের অনিক সরকার। আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে গুগলের ইউরোপ অঞ্চলের প্রধান কার্যালয়ে সফটওয়্যার প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিতে অনিককে প্রস্তাব দিয়েছে গুগল।
সম্প্রতি গুগলের পক্ষ থেকে এমন অফার লেটার পেয়েছেন বলে নিজ ফেসবুক আইডিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অনিক সরকার। অনিক জানান, গুগল ক্লাউড স্টোরেজ এর সফটওয়্যার রিলায়েবিলিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেবেন তিনি।
জানা যায়, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেন অনিক সরকার। সেখানেই কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে স্নাতক শেষে স্নাতকোত্তর পর্বে অধ্যয়নরত আছেন অনিক। একই সাথে রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবেও কাজ করছেন তিনি।
এর আগে চট্টগ্রামের কলেজিয়েট স্কুল এবং চট্টগ্রাম কলেজ থেকে যথাক্রমে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন অনিক সরকার।
প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই পরীক্ষা

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই পরীক্ষা


করোনাভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে। তবে শিক্ষার্থীরা এই পরীক্ষা যেন বাসায় বসে দিতে পারে সেই চিন্তা করছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষকরা প্রশ্ন তৈরি করে শিক্ষার্থীদের বাসায় পাঠাবেন। পরীক্ষার খাতা শিক্ষকরা মূল্যায়ন করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছে ফলাফল পৌঁছে দেবেন। এ জন্য বেশকিছু ভলেন্টিয়ার (স্বেচ্ছাসেবী) নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত দুই মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। গত ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় তা বাতিল করা হয়। বর্তমানে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আয়োজন নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার রুটিনে দেখা গেছে, প্রথম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রথম সাময়িক পরীক্ষা- ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে, দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা- ৯ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা- ১৯ থেকে ৩০ নবেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া ১ম থেকে ৪র্থ শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা ২ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে গত দুই মাস ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে না আসায় আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না।

'এ কারণে আমরা সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছি। পাশাপাশি শিক্ষকরা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে পড়ালেখার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের বাসায় রেখে কীভাবে পরীক্ষা নেয়া যায় সেই কথা চিন্তা করছি।'

সচিব বলেন, 'গত ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু করার কথা থাকলেও তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই কারণে শিক্ষার্থীরা যাতে বাসায় বসে পরীক্ষা দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হতে পারে।'

তিনি বলেন, টেলিভিশনে যেসব বিষয়ে পাঠদান হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন প্রণয়ন করবেন। সেসব প্রশ্ন নির্ধারিত ভলেন্টিয়ারদের (স্বেচ্ছাসেবী) মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বাড়ি পাঠানো হবে। ভলেন্টিয়ারদের মাধ্যমে উত্তরপত্রগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।

শিক্ষকরা খাতা মূল্যায়ন করে মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে সাময়িক পরীক্ষার ফলাফল জানিয়ে দেবেন। দ্রুত এ বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হতে পারে বলেও জানান সচিব আকরাম আল হোসেন।
এসএসসির ফল প্রকাশ রোববার

এসএসসির ফল প্রকাশ রোববার

করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যেই রোববার (৩১ মে) চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এদিন ফল প্রকাশের সম্মতি জানানো হয়েছে। এদিন সকাল ১০ টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করবেন।
পরে দুপুর ১২ টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ফেসবুক লাইভে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন। সকল প্রাসঙ্গিক ডকুমেন্ট মেইল করা হবে। 

পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবে দুপুর ২টা থেকে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটের পাশাপাশি মোবাইল ফোন থেকে এসএমএসের মাধ্যমেও জানা যাবে পরীক্ষার ফল।

করোনার মহামারি কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় গণমাধ্যম কর্মীদেরকে ব্রিফিং এর স্থানে না আসার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়। ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার জন্য বিটিভির মাধ্যমে ভিডিও ফুটেজ প্রেরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ ফেব্রয়ারি শেষ হয়েছে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের লিখিত পরীক্ষা। আর গত ১ মার্চ দাখিলের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়েছিল এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ এসএসসির ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হয়েছে। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ মধ্যে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের ব্যবহারিক পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।

চলতি বছর ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। গত বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন। মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বছর ১৬ লাখ ৩৫ হাজার ২৪০ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি, ২ লাখ ৮১ হাজার ২৫৪ জন পরীক্ষার্থী দাখিল এবং এক লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়েছে।

এসএসসির ফল পেতে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করতে হবে। এ জন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর অর্থাৎ ঢাকা বোর্ড হলে Dha লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০২০ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। দাখিল হলে DHA লিখে একইভাবে এসএমস করতে হবে।

ফল প্রকাশ হলেই ফিরতি এসএমএসে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীর ফল জানানো হবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকেও পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন।
এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল ২০২০

এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল ২০২০



৩১ মে রবিবার বেলা ১১ টার পর প্রকাশ করা হবে ২০২০ সালের মাধ্যমিক/ এসএসসি সহ সমমানের দাখিল এবং ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল। গতবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১০ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ছিলো ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ ও  জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ১ লাখ ০৫ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষার্থী। তার আগের বছর ছাত্রের তুলনায় ১.৫৩% ছাত্রী বেশি পাস করেছিলো।

নোটিশঃ ০৭ মে  থেকে সকল শিক্ষাবোর্ড আংশিক খোলা হয়েছিলো। ফলে করোনা সংকটের কারনে ৪১ দিন বন্ধ থাকায় সময়মত রেজাল্ট তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তবে ইদের পর ৩১ মে এসএসসি-সমমান  রেজাল্ট প্রকাশ করবে। দেশের ইতিহাসে এবার প্রথম রেজিস্ট্রেশনকৃত মোবাইলের মেসেজে রেজাল্ট দিবে সকল বোর্ড। তার জন্য আপনাকে প্রাক নিবন্ধন করতে হবে। নিচে মোবাইলে রেজাল্ট দেখার অংশে দেখুন কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন। এছাড়া সরাসরি এসএসসি-সমমান মার্কশিটসহ ফলাফল দেখুন আমাদের সাইটেই।
⬇⬇ আমাদের সাইট থেকে সরাসরি রেজাল্ট দেখুন নিচে থেকে ⬇⬇   

এস এস সি রেজাল্ট ২০২০


নীচের এই ধাপগুলি অনুসরণ করুন।
# ধাপ ১: আপনার ব্রাউজার বা উপর থেকে ক্লিক করে  www.educationboardresults.gov.bd সাইটে ঢুকে পড়ুন। যেটা নতুন ট্যাবে ওপেন হবে।
( উপরের ছবিতে ক্লিক করার পর নতুন ট্যাব ওপেন হবে ফলে রেজাল্টের জন্য সেই ট্যাবে চলে যান)
# ধাপ ২:  একটু নিচের দিক এসে পরীক্ষার” বিকল্প থেকে এসএসসি / দাখিল নির্বাচন করুন।
# ধাপ ৩:  আপনার পরীক্ষার বছর হিসাবে 2020 সিলেক্ট করুন।
# ধাপ ৪:  এখন আপনার বোর্ডের নাম নির্বাচন করুন।
# ধাপ ৫: পরবর্তী দুটি বাক্সে আপনার এসএসসি রোল নম্বর এবং রেজিস্ট্রেশন সংখ্যা লিখুন।
# ধাপ ৬: নিরাপত্তা বিশিষ্ট গণিত সমাধান করুন এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
# ধাপ ৭: আপনার এস  এস সি রেজাল্ট  দেখাবে।
    »»     অফিসিয়াল পদ্ধতি   
# ধাপ ১: আপনার কম্পিউটার বা ফোনের ব্রাউজার থেকে থেকে  দেশের ওয়েব বেজড পাবলিকেশন সিস্টেম https://eboardresults.com এ ঢুকে পড়ুন।
# ধাপ ২: “পরীক্ষার Examination” বিকল্প থেকে এসএসসি SSC/Dakhil/ Equivalent নির্বাচন করুন।
# ধাপ ৩: আপনার পরীক্ষা বছর হিসাবে 2020 সিলেক্ট করুন।
# ধাপ ৪: এখন আপনার বোর্ডের নাম নির্বাচন করুন।
# ধাপ ৬:  রেজাল্ট টাইপে ইন্ডিভিজুয়াল individual অপশন সিলেক্ট করুন। ( আর যদি কোন স্কুলের সব রেজাল্ট চান তাহলে ইন্সটিটিশন বা আরো অপশন সিলেক্ট করতে পারেন)।
# ধাপ ৭: আপনার এস  এস সি রেজাল্ট  দেখাবে।
        »»     প্রাক নিবন্ধন পদ্ধতি 
শিক্ষা বোর্ডগুলো আগে আগে আপনাকে রেজাল্ট দেয়ার জন্য প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করেছে। যারা নিবন্ধন রেজাল্টের আগে করে রাখবে, তারাই প্রথম দিকে ফলাফল পাবে। তবে পুর্বের মতো এসএমএস পদ্ধতি ব্যাবহার করেও রেজাল্ট দেখতে পারবেন। নতুন এই পদ্ধতিতে আপনার মোবাইল ফোনে সবার আগে ফলাফল পাওয়ার জন্য যেটি করতে হবে।
যেকোনো অপারেটরের নাম্বার থেকে SSC Board Name (প্রথম তিন অক্ষর) স্পেস দিয়ে Roll তারপর Year লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতি sms এর জন্য ০২ টাকা চার্জ কেটে নেওয়া হবে।
For Example: DHA<Space>153630<Space>2020 send to 16222
আপনাদের সুবিধার্থে নিচে সংক্ষিপ্ত নাম দেয়া হলোঃ
Dhaka Board= DHA, Barisal Board=BAR, Sylhet Board = SYL, Comilla Board = COM, Chittagong Board = CHI, Rajshahi Board = RAJ, Jessore Board = JES, Dinajpur Board = DIN, Madrasah Board = MAD, Technical Board= TEC.
        »»      এসএমএস পদ্ধতি  
এসএমএস দ্বারা আপনার এসএসসি রেজাল্ট ২০২০ মোবাইল ফোন থেকে পেতে পারেন।এস  এস সি রেজাল্ট  দেখার  দ্রুত ও সহজ মাধ্যম হলো এম.এস.এস  । বাংলাদেশ সব মোবাইল অপারেটর দ্রুত ডেলিভারি করে থাকে এস.এস.সির ফলাফল। প্রথমে মেসেজ অপশনে যেতে হবে এবং SSC <স্পেস> আপনার বোর্ড নাম (প্রথম তিনটি অক্ষর )<স্পেস> রোল নং <স্পেস> 2020 এএবং 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।
For Example: SSC<Space>DHA<Space>153630<Space>2020 send to 16222
আপনাদের সুবিধার্থে নিচে সংক্ষিপ্ত নাম দেয়া হলোঃ
Dhaka Board= DHA, Barisal Board=BAR, Sylhet Board = SYL, Comilla Board = COM, Chittagong Board = CHI, Rajshahi Board = RAJ, Jessore Board = JES, Dinajpur Board = DIN, Madrasah Board = MAD, Technical Board= TEC.

এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল ২০২০

»»   বোর্ড ওয়েবসাইটের মাধ্যমেঃ 
নম্বর সহ এসএসসি রেজাল্ট
»»  ফেসবুকের  মাধ্যমেঃ 
কাঙ্ক্ষিত এসএসসি ফলাফল ফেসবুকের মাধ্যমেও পেতে পারেন সবার আগে। বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও পেজ স্ব প্রণোদিত হয়ে ফ্রিতে শিক্ষার্থীদের চাওয়া পুরন করতে চেষ্টা করে। যেখানে বাংলাদেশের বড় বড় হ্যাকারদের পেজ ও আছে যারা সবার আগে আপনার এস এস সি রেজাল্ট দিয়ে থাকে। যদি আপনার নেট স্পিড কম থাকে বা নেট না থাকে তাহলে ফেসবুকের এই সমস্ত পেজ ও গ্রুপে  একটিভ থাকতে পারেন। ফলে সবার আগেই গত রাত বা সকালে রেজাল্ট হাতের মুঠোয় পেতে পারেন।  এমন কিছু গ্রুপ এর লিংক দেয়া হলোঃ